যষ্ঠিমধু / মুলেথি তে রয়েছে ১৮% সুক্রোজ যা চিনির থেকেও বেশি মিষ্টি, হাজারো শারীরিক সমস্যার জন্য এটি একটি মহৌষধ।
এটি তরল আকারে কফ বের করে দেয় এবং খুসখুসে কাশির তাৎক্ষণিক উপশম করতে পারে। এ ছাড়া ব্রঙ্কাইটিস, টনসিলের সমস্যা ও কণ্ঠনালীর প্রদাহ দূর করে। শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন প্রশমিত করে।
যাদের বেশি কথা বলার কারনে গলা খারাপ হয়ে যায় বা যারা কন্ঠ সুন্দর করতে চান তাদের জন্য এটি খুবই উপকারি।
যষ্টিমধু ত্বকের অ্যাকজিমা, সোরিয়াসিস, প্রদাহ, সানবার্নের সমস্যা নিরাময় করে। ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করে।
এটি পেটের এসিডিটি দূর করে, গ্যাষ্ট্রিক আলসার নিরাময়ে ভূমিকা রাখে
দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।
এটি শরীরে পিত্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
যষ্টিমধুর মধ্যে গ্লিসারিন উপস্থিত থাকার কারণে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
এর ফাইটোস্ট্রোজেনিক নারীদের হরমোনজনিত সমস্যা দূর করে এবং গর্ভধারনের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে।
যষ্টিমধুর শেকড় পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, এরপর গরম করে খেয়ে নিন
চায়ের মধ্যে যষ্টিমধুর গুড়া দিয়ে খেয়ে নিন
যষ্টিমধুর গুড়া তেলের সাথে মিশিয়ে ত্বকে ব্যাবহার করুন
Login to ask a question